নেপথ্যের মানুষ

ব্যক্তিগত তাপস সেন – সৌমিত্র বসু

রিহার্সাল দেখতেন মাথা নিচু করে, যেমন করে মানুষ ঢোলে আর কি। পরে অবশ্য তাঁর শিষ্যদের একজনের কাছ থেকে জেনেছি, তিনি মন দিয়ে সংলাপ শুনতেন, সংলাপের আওয়াজ শুনতেন, এবং মনে মনে ছবি তৈরি করতেন। রিহার্সালে এসে তাপস সেন বেশ অসন্তুষ্ট হলেন। 'এত সাদা পেছনে, আমাকে বলনি কেন? আলো তো বাউন্স করবে। সামনের চরিত্রগুলোকে ভালো করে দেখাই যাবে না।' নিশ্চয়ই এই কথাগুলো তিনি আরও কাউকে কাউকে বলেছিলেন। তাঁদের মধ্যে একজন ছিলেন বিভাস চক্রবর্তী।

আরও পড়ুন 

গভীর অনুভূতিতে ধরতে পারাই থিয়েটারের আলোর কাজ – সুদীপ সান্যাল

"আলোর কাজ আমি একেবারেই অ্যাক্সিডেন্টালি শুরু করেছি। আমি ফিজিক্সের ছাত্র, তার সঙ্গে থিয়েটারের একটা ইন্টারেস্ট ছিল। পাড়ায় কিছু বন্ধুবান্ধব ছিল, কিছু দাদা ছিল, তাদের নিয়ে কাজ শুরু করা গেল। তখন কিন্তু অভিনেতা হওয়ার কথাই ভেবেছিলাম। অন্য কিছু নয়। আমাদের তখন ছোট্ট একটা দল। প্রচুর রিহার্সাল করে শো করার চেষ্টা করলাম। আর করতে গিয়ে বুঝলাম যে কিছুই হচ্ছে না। এটা আমি বলছি, ওই ১৯৯২-৯৩ সালের কথা। তখন বিভিন্ন জায়গায় নাটকের প্রতিযোগিতা হতো।" - সুদীপ সান্যাল আলোর মানুষ। বর্তমানে থিয়েটারের যাঁরা যুক্ত, তাঁরা সকলেই নেপথ্যের মানুষ হিসেবে সুদীপ সান্যালের নাম জানেন। নিজের কাজ এবং তাঁর স্যর তাপস সেনের কাছে কাজ শেখার ব্যাপারে তিনি কথা বললেন TOTZINE_এর সঙ্গে।

আরও পড়ুন