থিয়েটারে দ্বিতীয় প্রজন্ম

থিয়েটারে দ্বিতীয় প্রজন্ম

অনলাইন জীবনে বাঙালিরাও এখন কাউচ পট্যাটো। সিনেমা হলেই কেউ যেতে চায় না, থিয়েটার তো দূর-অস্ত। তবু বাংলা থিয়েটার ছিল, আছে, থাকবে। থিয়েটায়ের নিভন্ত আগুনের শিখাটুকুকে যাঁরা দুহাত দিয়ে বাঁচিয়ে রেখেছেন তাঁরা থিয়েটারের দ্বিতীয় প্রজন্ম। প্রথম সংখ্যায় TOTZINE - এর সঙ্গে থিয়েটার-প্যাশন নিয়ে কথা বললেন, সোহিনী সেনগুপ্ত, সুজন মুখোপাধ্যায় এবং অর্ণ মুখোপাধ্যায়।

প্রচ্ছদ কাহিনী

নেপথ্যের মানুষ

গভীর অনুভূতিতে ধরতে পারাই থিয়েটারের আলোর কাজ - সুদীপ সান্যাল

গভীর অনুভূতিতে ধরতে পারাই থিয়েটারের আলোর কাজ - সুদীপ সান্যাল

"আলোর কাজ আমি একেবারেই অ্যাক্সিডেন্টালি শুরু করেছি। আমি ফিজিক্সের ছাত্র, তার সঙ্গে থিয়েটারের একটা ইন্টারেস্ট ছিল। পাড়ায় কিছু বন্ধুবান্ধব ছিল, কিছু দাদা ছিল, তাদের নিয়ে কাজ শুরু করা গেল। তখন কিন্তু অভিনেতা হওয়ার কথাই ভেবেছিলাম। অন্য কিছু নয়। আমাদের তখন ছোট্ট একটা দল। প্রচুর রিহার্সাল করে শো করার চেষ্টা করলাম। আর করতে গিয়ে বুঝলাম যে কিছুই হচ্ছে না। এটা আমি বলছি, ওই ১৯৯২-৯৩ সালের কথা। তখন বিভিন্ন জায়গায় নাটকের প্রতিযোগিতা হতো।" - সুদীপ সান্যাল আলোর মানুষ। বর্তমানে থিয়েটারের যাঁরা যুক্ত, তাঁরা সকলেই নেপথ্যের মানুষ হিসেবে সুদীপ সান্যালের নাম জানেন। নিজের কাজ এবং তাঁর স্যর তাপস সেনের কাছে কাজ শেখার ব্যাপারে তিনি কথা বললেন TOTZINE_এর সঙ্গে।

আরও পড়ুন

সম্পাদকীয়

আজকের বিশ্বে থিয়েটার: গত দশ বছরের পরিবর্তন, কোভিড-পরবর্তী রূপান্তর এবং বাংলা থিয়েটারের অবস্থান - শুভময় বসু

আজকের বিশ্বে থিয়েটার: গত দশ বছরের পরিবর্তন, কোভিড-পরবর্তী রূপান্তর এবং বাংলা থিয়েটারের অবস্থান - শুভময় বসু

মানুষের সভ্যতার ইতিহাসে থিয়েটার কেবল বিনোদনের মাধ্যম নয়; এটি সমাজের আত্মপ্রতিকৃতি। মানুষের আনন্দ, ক্ষোভ, প্রতিবাদ, রাজনীতি, প্রেম, ইতিহাস এবং ভবিষ্যতের কল্পনা—সবকিছুই থিয়েটারের মঞ্চে জীবন্ত হয়ে ওঠে। কিন্তু গত এক দশকে সারা পৃথিবী বদলেছে খুবই দ্রুতগতিতে। ডিজিটাল প্রযুক্তির বিস্তার, সামাজিক মাধ্যমের উত্থান, বিশ্বায়নের নতুন বাস্তবতা এবং সর্বোপরি কোভিড-১৯ মহামারী থিয়েটারের ভাষা, দর্শক এবং অর্থনীতিকে গভীরভাবে প্রভাবিত করেছে।

আরও পড়ুন

Recent

Videos

Featured